প্রথম পয়েন্ট
NAVIGATION
2. Page
প্রথম পয়েন্ট রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আমার উম্মাতের ফেতনা ফাসাদের সময় যে আমার সুন্নাত কে আকড়ে ধরবে তার জন্য একশত শহীদের মর্যাদা দেয়া হবে।
এতে কোন সন্দেহ নেই যে, মহান সুন্নতের অনুসরণ চুড়ান্ত গুরুত্ব পূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে বেদা’তের কতৃত্ব ও ছড়াছড়ির যুগে। কেননা তখন তার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশী । কেননা উম্মাতের ফিতনা ফাসাদের সময় মহান সুন্নাতের যথাসামান্য অনুসরন ও তখন অনেক বড় তাকওয়া ও গভীর ঈমানের অনুভুতি প্রকাশ করবে।
নিশ্চয় মহান সুন্নাতের অনুসরন সরাসরি রাসূল (সাঃ) কে স্বরণ করিয়ে দেয় এবং এই ‘স্বরণ’ ইলাহী উপস্তিতির অনুভুতিতে রূপান্তরিত হয় । যে যত সামন্য কাজ কর্মে এমনকি খাবার , পানীয় ও ঘুমের আদবে এই মহান সুন্নাতের অনুসরণ করে । তাহলে এই সামান্য আমল এবং স্বভাবজাত কাজকর্ম ইবাদতে রূপান্তরিত হবে। ছওয়াব প্রাপ্ত হবে । শরীয়তের কর্ম হিসাবে গন্য হবে । কেননা এই স্বাভাবিক কাজে তার মনে ছিল রাসূল সাঃ এর অনুসরণ এবং তার কল্পনায় ছিল যে, সে শরীয়তের আদব সমূহ থেকে একটি আদব পালন করেছে। তার অন্তরে জাগ্রত হয়েছিল যে, রাসূল সাঃ হলেন শরীয়ত প্রণেতা আর এর মাধ্যমে তার অন্তর আল্লাহর অভিমুখী হয়েছে যিনি হলেন প্রকৃত শরীয়ত প্রণেতা ।
এই রহস্যের উপর ভিত্তিকরে যে ব্যক্তি মহান সুন্নার অনুসরণ নিজের স্বাভাবিক কাজ হিসাবে গ্রহণ করে নিয়েছে । তাহালে সে তার স্বাভাবিক কাজকর্মকে ইবাদতে রূপান্তরিত করে ফেলল। সে তার সমগ্র জীবনকে ফলপ্রসু ও ছওয়াবে পরিণত করতে সম্ভব।
দ্বিতীয় পয়েন্ট : ইমাম আর রব্বানী মুজাদ্দিদ আলফি ছানি বলেন ” আমি রুহানী সফরে বিভিন্ন স্থরে অতিক্রম করেছি । তাতে আমি সবচেয়ে উত্তম , সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে কোমল ও নিরাপদ স্থর হিসাবে পেয়েছি যে স্থরে রাসূল সাঃ এর মহান সুন্নাতের অনুসরণকে মূল ভিত্তি হিসাবে গ্রহণ করাহয়েছে । এমনকি এই স্থরের সাধারণ ওলীরা ও সকল স্থরের বিশেষ বিশেষ ওলীদের থেকে বেশী বড় ও খোদাভীরু হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে।
:


