ষষ্ট পয়েন্ট

9. Page

ষষ্ট পয়েন্ট: রাসূল সাঃ বলেছেন ( كُلُّ بِدْعَةٍ ضَلَالَة وكُلُّ ضَلَالَةٍ فِي النَّار) প্রত্যেক বেদ্’আতই পথভ্রষ্টতা, আর প্রত্যেক পথ ভ্রষ্টতাই জহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। আথাৎ শরীয়তের মূলনীতিকে অপছন্দ করা আলোকিত সুন্নাতের বিধিবিধানকে মর্যাদা না দেয়া এবং এর বিভিন্ন বিষয়কে নতুন নতুন জিনিষ দ্বারা পরিবর্তন করা অথবা বেদ’য়াতের মাধ্যমে তার পূণর্জীবন দেয়া। অল্লাহর আয়াতের মাধ্যমে শরয়তের পরিপূর্র্ণতা লাভের পর ( الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ ) আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন কে পরিপূর্ণ করলাম। (সূরা মায়েদা ৩ ) যেন বেদ্’য়াতকারী মনে করে ঐ সকল নবুয়াতী ও ইলাহী মুলনীতি ও বিধিবিধান গুলো ত্রæটি পূর্ণ- নাউযুবিল্লাহ –- নিশ্চয় এটাই হল পথভ্রষ্টতা ও জাহান্নামের আগুন।


নিশ্চয় আলোকিত সুন্নাতের অনেক গুলো স্থর রেয়েছে। তার একটি স্থর ওয়াজিব যা কোন ভাবেই পরিত্যাগ করা যাবেনা। সমুজ্জল এই প্রকার সুন্নাত বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। এটা মুহকামাত যার অংশ কোনভাবেই পরিবর্তন পরিবর্ধন করা যাবেনা।

           সুন্নাতের আরেক প্রকার হল নফল । এটা আবার দুইপ্রকারপ্রথমটি : ঐ সকল সুন্নাত যা ইবাদতের সাতে সম্পৃক্ত। এটাও শরীয়তে সুষ্পষ্ট ভাবে বর্ণিত হয়েছে। যার কোন ধরনের পরিবর্তন বেদ্’য়াত । আর অপরটি হল ’আদাব’ যা রাসূল (সাঃ) এর জীবনী সংক্রান্ত কিতাব গুলোতে উল্লেখ রয়েছে। এগুলোর খেলাফ করাকে বেদ্’য়াত বলাহয় না। তবে নবুয়াতী আদাবের খেলাফ হিসাবে গন্য হবে। প্রকৃত আদাব ও তাঁর নূর এর ফায়দা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া হিসাবে গন্য হবে। এই প্রকার সুন্নাত হল রাসূলে আকরাম (সাঃ) এর মুতাওয়াতির বর্ণনায় অবগত ঐ সকল কাজ কর্ম, অভ্যাস,আচরন,লেনদেনের অনুসরণ করা যা তিনি মানুষ হিসাবে করেছেন। এখানে অসংখ্য সুন্নাতের বর্ণনা রয়েছে যেমন কথা বলার আদব, ঘুমানো খাবার ও পানাহারের , এবং মেলামেশা বন্ধুত্ব ইত্যাদির সাথে সম্পৃক্ত আদব সমূহ । এই প্রকার সুন্নাতকে আদবী হিসাবে গন্য করা হয়েছে। যে ব্যক্তি এই সকল আদবের অনুসরণ করবে তার অভ্যাসগত কাজ ইবাদতে পরিবর্তন হয়েযাবে। এই আদবের অনুসরণের কারনে মহা পুরুষ্কার লাভ করবে। অত:পর এই আদব সমুহের 


 

10. Page

সবচেয়ে নগন্য আদব পালন করাও রাসূল (সাঃ) কে স্বরণ করেয়ে দেবে এবং অন্তরে নূরের আভা সৃষ্টি হবে।

           নিশ্চয় সবচেয়ে বড় ও সবচেযে গুরুত্ব পূর্ণ সুন্নাত হল ঐ সকল সুন্নাত যা ইসলামের প্রতীকের সাথে সম্পৃক্ত। অত:পর ঐ সকল প্রতীক যা বিশেষভাবে সমাজের সাথে সম্পৃক্ত সাধারণ অধিকার সমুহ যেমন : ইবাদত । অনুরূপ ভাবে সমাজের একজন যদি আদায় করে তাহলে সাবাই উপকৃত হবে । আর যদি কেউ আদায় না করে তাহলে সবাই জিজ্ঞাসিত হবে । এই প্রকার প্রতীক যা সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া হয় যার মধ্যখানে রিয়া বা লোকদেখানো বিষয় প্রবেশ করতে পারেনা। আর এটা ব্যক্তিগত ফরজ সমূহ থেকে বেশী গুরুত্বপূর্ণ যদিও এই সকল প্রতীক নফলের অন্তর্ভূক্ত হয়।